আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা –আবনা-: সৌদি আরব সফরের সময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামার পোশাক নিয়ে যেমন আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল, ঠিক একই রকম প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে মেলানিয়া ট্রাম্পের পোশাক নিয়েও। ওই সফরের সময় তিনি চুল ঢেকে রাখেননি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় মিশেল ওবামার চুল না ঢাকার ওই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাননি। তিনি বলেছিলেন, ‘অনেক লোক বলছে, সৌদি আরবে মিশেল ওবামার স্কার্ফ না পরার বিষয়টি দারুণ। তবে এতে তারা (সৌদি) অপমানিত হয়েছে। আমাদের পর্যাপ্ত শত্রু রয়েছে।’
বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঐ সময় মিশেল ওবামার এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও স্বয়ং তার স্ত্রী মেলানিয়াও একই পথে হেটেছেন। সৌদি আরব রীতি-রসম ভেঙ্গে হিজাব ও স্কার্ফ পরা ছাড়াই সৌদি সফর করছেন বর্তমান মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।
সৌদি আরবে বেশ কিছু বিষয়ে নারীদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানো নিষেধ। পাশাপাশি পুরুষ অভিভাবকের অনুমোদন ছাড়া নারীরা পড়াশোনা ও ভ্রমণ করতে পারেন না। এ ছাড়া রিয়াদে জনসম্মুখে আসতে হলে নারীদের মুখ ও চুল ঢাকা পোশাক পরতে হয়। এ সকল বিষয় কেন্দ্রিক বহু সংখ্যক ফতওয়া দিয়েছে সৌদি আরবের গোঁড়া মুফতিরা।
মিশেল ও মেলানিয়ার মত ফার্স্ট লেডিরা যখন স্কার্ফ ছাড়াই সৌদি আরব সফর করেন ও এদেশের বাদশার সাথে হ্যান্ডশেক করেন তখন সৌদি মুফতিরা মুখে কুলুপ এটে বসে থাকেন এবং একটি সমালোচনার বার্তাও তাদের মুখ থেকে বের হয় না। মার্কিন ফার্স্টলেডি বলে কথা!#
